আয়ু বিষয়ে আমার কোনও আফসোস-আহাজারি নেই;
এমনকী আমার মৃত্যুর পরও কেউ আমাকে স্মরণ করবে কি করবে না
এইসব অদরকারী ভাবনায় বিচলিত নই আমি; কী এসে যায়,
যদি আরও পঞ্চাশ বছর বেঁচে থাকি আর প্রতিবারই সিঁধেল চোরের মতো
ঢুকতে না ঢুকতেই দাঁড়াশ সাপের তাড়া-খাওয়া মানুষের মতো দৌড়ে পালায়
বসন্তমাস? যদি বাতাসের গুঞ্জনে না ফোটে একটাও প্রাণবন্ত সুর!
আছড়ে-পড়া প্রতিটি সমুদ্র-ঢেউ যদি রোদনমুখর জননীর মতো
দীর্ঘশ্বাসের প্রসঙ্গই হয়ে ওঠে আর পাখিরা ভুলে যায় স্বরবিতান?
বৈকালিক রোদের মখমলে শুয়ে যদি সেই শাদা খরগোশের স্মৃতিও
ঝাপসা হতে থাকে মনে এবং পূর্ণিমায় চাঁদকে কেবলি বৃত্তাকার
জ্যামিতি মনে হয়? কী অর্থ বয়ে আনে পাঁচ-পঞ্চাশ-পাঁচ শ' বছর?
একটা কাছিমও তো তিন শ' বছর বেঁচে থাকে!
বিশ্বব্রহ্মাণ্ড নাকচ ক'রে দিয়ে, তোমার সান্নিধ্যে আমি
আর শুধু একটা সোমত্ত-দিন বেঁচে থাকতে চাই।
বুধবার, ৪ মে, ২০১১
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যগুলি পোস্ট করুন (Atom)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন